দীর্ঘ এক দশকে প্রথমবার দুই দিনের জন্য চীন সফরে গেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় ট্রাম্পকে লাল গালিচায় সংবর্ধনা স্বাগত জানায় বেইজিং।
বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ট্রাম্পকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি বেইজিংয়ে অবতরণ করে। ট্রাম্পকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলো চীনা শিশু–কিশোররা। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পতাকা নাড়িয়ে ট্রাম্পকে স্বাগত জানায়।
সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে নিজের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’–এ এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন, জিনপিং–কে অনুরোধ করব যেন তিনি চীনের বাজার ‘উন্মুক্ত’ করে দেন, যাতে এই অসাধারণ মেধাবী মানুষগুলো তাদের জাদু দেখাতে পারেন। এটিই হবে আমার প্রথম অনুরোধ।
এদিকে সফরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো ট্রাম্পের সফরসঙ্গীরা। হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, সফরে ডজনেরও বেশি মার্কিন টেক কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্তাকর্তারা রয়েছেন, যা দুই দেশের বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
এছাড়া আলোচনায় প্রাধান্য পাবে ইরান যুদ্ধ এবং তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো। ধারণা করা হচ্ছে, তেহরানকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তিতে রাজি করাতে চীনের সহায়তা চাইবেন ট্রাম্প।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র–চীন সম্পর্কের বর্তমান টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের নেতার বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাণিজ্য শুল্ক, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা, তাইওয়ান এবং বিশ্বে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে দুই নেতার আলোচনায় আন্তর্জাতিক মহল দৃষ্টি রাখবে।