আগামী কয়েক দিনে দেশের চার জেলায় বন্য পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র–যমুনা ও গঙ্গা–পদ্মা অববাহিকায় পানি বেড়ে আগামী ৪ জুলাই থেকে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার নদ–নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নিয়মিত প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে, যার প্রভাবে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে।
বর্তমানে তিস্তা (ডালিয়া ও তারাপুর), কুশিয়ারা (ফেঞ্চুগঞ্জ ও মারকুলি) এবং সোমেশ্বরী (কলমাকান্দা) নদীর পানি সতর্কসীমার ওপর দিয়ে বইছে। আগামী ৪ থেকে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র–যমুনা নদীর পানি দ্রুত বেড়ে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করতে পারে। এছাড়া সিলেট ও সুনামগঞ্জের সুরমা–কুশিয়ারা নদী তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলোতে বন্যার ঝুঁকি অব্যাহত থাকতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নোয়াখালীতে সর্বোচ্চ ৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, আগামী তিন দিন ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তীতে আরও দুই দিন চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ এবং ভারতের ত্রিপুরায় অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল ইসলাম শোভন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নদ–নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের দুর্যোগ মোকাবিলায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
বন্যা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য ১০৯০ নম্বরে কল করে অথবা নিয়মিত আপডেট পেতে ‘BWDB Flood App’ ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।