বিশ্বকাপ শেষ হলেও আর্জেন্টিনাকে ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। মাঠের পারফরম্যান্স, ফাইনালের উত্তেজনা আর রাজনৈতিক অবস্থান; সব মিলিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে লিওনেল মেসিদের দেশ।
তবে সেই সমালোচনাকে স্বাভাবিকভাবে দেখছেন না আর্জেন্টিনা প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই।প্রতিবেদন: রয়টার্স।
তার দাবি, আর্জেন্টিনাবিরোধী প্রচারণার পেছনে রয়েছে ব্রাজিল সরকার, যারা এ কাজে বড় অঙ্কের অর্থও ব্যয় করছে। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি তিনি।
বিশ্বকাপ–পরবর্তী সমালোচনার জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসছেন মিলেই।
ইনস্টাগ্রামে একাধিক পোস্টে তিনি দাবি করেন, আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে যে সমালোচনা চলছে, তার পেছনে মূল কারণ ‘হিংসা’।
তার অভিযোগ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার নেতৃত্বাধীন সরকারই এই প্রচারণার সবচেয়ে বড় অর্থদাতা।
এক সাক্ষাৎকারে মিলেই বলেন, “আর্জেন্টিনাবিরোধী এই প্রচারণায় সবচেয়ে বেশি অর্থ কে দিয়েছে? ব্রাজিল সরকার। মোট অর্থায়নের ২৫ শতাংশই এসেছে ব্রাজিল সরকারের কাছ থেকে। এরপর তারাই আবার আমাকে হস্তক্ষেপ নিয়ে শিক্ষা দেয়।”
তবে নিজের এই দাবির পক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করেননি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট।
মিলেই আরও অভিযোগ করেন, শুধু ব্রাজিলই নয়, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টিও এই প্রচারণায় অর্থায়ন করেছে।
তার ভাষ্য, “মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টিও এতে অর্থ দিয়েছে। তারা সেই প্রগতিশীল শক্তি, যারা স্বাধীনতার ধারণার সফলতা দেখতে চায় না।”
বিশ্বকাপের পর আর্জেন্টিনাকে ঘিরে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপে দলটি বাড়তি সুবিধা পেয়েছে; এমন অভিযোগ যেমন উঠেছে, তেমনি ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের আচরণ নিয়েও সমালোচনা হয়েছে।
এসএ