বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। এরপর তার মরদেহ দেশে আনা হয় এবং বনানী কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে তার কবর জিয়ারত করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ নেতারা কোকোর কবর জিয়ারত, দোয়া ও পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ওয়ান ইলেভেন এবং আওয়ামী লীগ সরকার আমলে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের কারণে আরাফাত রহমান কোকো মারা যান।
এক–এগারোর সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাসা থেকে তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোকেও গ্রেফতার করা হয়। ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশে থাইল্যান্ড যান তিনি। সেখান থেকে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মমতাময়ী মা বেগম খালেদা জিয়া, বড়ভাই তারেক রহমানকে ছেড়ে সেখানেই থাকতে হয় কোকোকে।
আরাফাত রহমান কোকোর জন্ম ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান ছিলেন।
আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি কুয়ালালামপুরের মালয়েশিয়া জাতীয় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর দুদিন পর তার মরদেহ দেশে আনা হয়।
২৭ জানুয়ারি ঢাকায় লাখো শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে এক বিশাল জানাজার পর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। আরাফাত রহমান কোকোর জানাজা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ জানাজা।
আরাফাত রহমান কোকো স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে গেছেন।