বিশ্বকাপে ব্যাক টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এখন পর্যন্ত ২টি দেশ, ইতালি ও ব্রাজিল। তবে একাধিক সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা’ও।
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন থাকা অবস্থায় পরের আসরে ফাইনাল খেলে ২ বার হেরে যাওয়া একমাত্র দল আর্জেন্টিনা। একবার করে এই অভিজ্ঞতা রয়েছে ফ্রান্স ও ব্রাজিলের। ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল যেন মেসি–ম্যারাডোনা‘কে আরও একবার পাশাপাশি এনে দাঁড় করালো।
১৯৮৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় ম্যারাডোনা নেতৃত্বাধীন আর্জেন্টিনা। আসরের সেরা খেলোয়াড়ের তকমা পান ম্যারাডোনা, জেতেন গোল্ডেন বল।
পরের বিশ্বকাপেও তারা পৌঁছে যায় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে। তবে আগেরবার যে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে সোনালি ট্রফি ঘরে তুলেছিল আকাশি–সাদা’রা, ৪ বছর পর সেই পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষেই স্বপ্নভঙ্গ হয় আলবিসেলেস্তেদের।
২০২৬ বিশ্বকাপ গল্পটাও যেন আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ৩৬ বছর আগে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা। গোল্ডেন বলও জিতেন মেসি। তবে ঠিক ৪ বছর পর ২০২৬ আসরে ফাইনাল হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় তার দলের।
আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে সর্বকালের সেরা দুইজন হলেন মেসি ও ম্যারাডোনা। অধিনায়কত্বে দলকে বিশ্বসেরার মুকুট পরানো এবং আসরের ব্যক্তিগত সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন উভয়ই। তবে ঠিক পরের বিশ্বকাপে নিজেদের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন তকমাটা বিলীন হয়েছে ফাইনালেই— মেসি আর ম্যারাডোনার অভিজ্ঞতা যেন একই।
১৯৯০‘র ম্যারাডোনার অসদ প্রতিবিম্ব যেন ২০২৬ বিশ্বকাপে মেসির দর্পনেই দেখা দিলো আরও একবার।
সোর্স: যমুনা টিভি
এসএ