বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬
বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬

রামিসা হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা মামলার রায় ৭ জুন ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত যুক্তিতর্ক গ্রহন করে রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন।

যুক্তিতর্ক শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ আসামিরা কীভাবে অভিযুক্ত, সাক্ষিরা আসামিদের সমন্ধে কী বলেছে এবং আইনের বিভিন্ন তথ্যউপাত্ত ও রেফারেন্স তুলে ধরেন। এরপর তিনি আদালতে বলেন, সাক্ষিরা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। বিধায় তিনি আদালতের নিকট আসামিদের আইনে বর্ণিত সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

এদিকে আসামি পক্ষের বিশেষ আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ আদালতে বলেন, আসামি ঘটনার সময় নেশাগ্রস্ত ছিলেন, আদালতে তার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন প্রার্থনা করছি। আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে স্ত্রী স্বপ্নার নাম বলেননি। স্ত্রীর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তবে লাশ গুম করার ক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এজন্য আদালতে ২০১ ধারায় তার শাস্তি প্রার্থনা করছি।

গতকাল এ মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি রেকর্ড করে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেন আদালত। মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

এরপর ভিকটিমেরমা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন ও কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা উপপরিদর্শক (এসআই) ইকবাল হোসেন, ময়নাতদন্ত প্রস্তুত করা ডা. নাসাদ জাবিন, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ, এসআই রাশেদুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এসআই অহিদুজ্জামান পর্যায়ক্রমে আদালতে জবানবন্দি দেন।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More