জেন-জিদের সংসার ভাঙছে এআই!

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
আইনি প্রক্রিয়া সামলাতে এখন পেশাদার আইনজীবীর চেয়ে চ্যাটজিপিটির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ওপর বেশি ভরসা করছে জেন-জি প্রজন্ম।

বিয়ে ভাঙার সিদ্ধান্ত কখনোই সহজ নয়। তবে সেই কঠিন সময়ের আইনি প্রক্রিয়া সামলাতে এখন পেশাদার আইনজীবীর চেয়ে চ্যাটজিপিটির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ওপর বেশি ভরসা করছে জেনজি প্রজন্ম।

হাজার হাজার ডলার খরচ করে আইনজীবী না নিয়োগ করে খসড়া চুক্তি তৈরি, আইনি নথিপত্র প্রস্তুত এবং জটিল পরিভাষা বুঝতে এই এআই টুল ব্যবহার করছেন তারা।

২৮ বছর বয়সী আর্ট ডিরেক্টর ব্রিটানি ব্রিনকা জানান, ২৪ বছর বয়সে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তিনি একটি ওয়েবসাইট এবং চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নিজেই সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করেছিলেন। পরে স্থানীয় দপ্তরের সহায়তায় কোনো আইনজীবী ছাড়াই পুরো আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

জেনজিদের মধ্যে এআইএর এই ব্যবহার নিয়ে আইনজীবী জ্যাকি কমবস জানান, অনেক তরুণ মক্কেল এখন এআই দিয়ে খসড়া বানিয়ে তার কাছে নিয়ে আসেন পর্যালোচনা করার জন্য।

পারিবারিক আইনজীবী কার্ক স্ট্যাঞ্জের মতে, অভিভাবকত্বের সময়সূচি, আর্থিক তথ্য গোছানো বা আইনি ভাষা বুঝতে এআই চমৎকার প্রাথমিক সাহায্য হতে পারে। যদিও গত বছরের অক্টোবরে ওপেনএআই নির্দিষ্ট আইনি পরামর্শ দেওয়ার ওপর কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে, তবুও তরুণরা কৌশলী প্রম্পট ব্যবহার করে এআই থেকে তথ্য ঠিকই বের করে নিচ্ছে।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক জেনজি ডেটিংয়ের পরামর্শে এআই ব্যবহার করে এবং ৪১ শতাংশ ব্রেকআপের জন্যও এআইএর সাহায্য নিয়েছে।

তবে আইনজীবীরা সতর্ক করে বলছেন, এআই একটি ভালো শুরুর মাধ্যম হলেও অভিজ্ঞ আইনজীবীর বিকল্প হতে পারে না।

নিজ অভিজ্ঞতা থেকে ব্রিটানি জানান, তার তৈরি কাগজপত্র দেখে বিচারক বুঝে ফেলেছিলেন যে তা চ্যাটজিপিটি দিয়ে লdখা। তাই প্রযুক্তি সহজ মাধ্যম হলেও সঠিক আইনি পরামর্শের জন্য মানবিক ও দক্ষ আইনজীবীর প্রয়োজনীয়তা এখনও অপরিসীম।

সূত্র: কসমোপলিটন

 

এসএ

 

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More