পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ড্র করেও সন্তুষ্ট নয় মরক্কো। কোচ মোহাম্মদ উয়াহবি ম্যাচ শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় জানাচ্ছিলেন, জয়ের জন্যই খেলেছিলাম। ১–১ গোলের সমতায় ম্যাচ শেষ হওয়ায় খেলোয়াড়দের মধ্যে হতাশা কাজ করছে।
চোটের কারণে নেইমার জুনিয়রকে ছাড়াই একাদশ সাজাতে হয় ব্রাজিলকে। সেই অনুপস্থিতি মাঝমাঠে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। ক্যাসেমিরো ও পাকেতারা রক্ষণ ও বিল্ড আপে চেষ্টা করলেও আক্রমণ সাজানোর মতো স্বাভাবিক গতি ও সৃজনশীলতা অনেকটাই কম ছিল। ফলে ভিনিসিয়ুস ও রাফিনহারা বারবার নিচে নেমে বল নিতে বাধ্য হন।
অন্যদিকে ম্যাচের শুরু থেকেই উচ্চ চাপে খেলে ব্রাজিলকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয় মরক্কো। বল হারানোর পর দ্রুত প্রেসিং এবং উইং দিয়ে গতি তোলার কৌশল কাজে লাগিয়ে তারা ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে বারবার পরীক্ষায় ফেলে। ২১ মিনিটে ইসমাইল সাইবারির গোল সেই সংগঠিত আক্রমণেরই ফল।
রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাহিম দিয়াজ মাঝমাঠে খেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন। আশরাফ হাকিমির গতি ও আক্রমণাত্মক রান ব্রাজিলের ফুলব্যাকদের বারবার চাপে ফেলে। তবে পিছিয়ে পড়ার পরও ম্যাচে ফিরে আসে ব্রাজিল। ৩২ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একক নৈপুণ্যে করা গোল দলকে সমতায় ফেরায়।
ভিনিসিয়ুস ছাড়া ব্রাজিলের আক্রমণভাগে নতুন ভরসা ইগর থিয়াগো একাধিক সুযোগ নষ্ট করেন। বিশেষ করে প্রথমার্ধে একটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করা ব্রাজিলের জন্য বড় হতাশার মুহূর্ত হয়ে দাঁড়ায়।
ম্যাচ শেষে মরক্কোর কোচ উয়াহবি বলেন আমরা জিততে চেয়েছিলাম। ভালো খেলেছি তবে ফল আমাদের পক্ষে আসেনি। খেলোয়াড়রা হতাশ কারণ লক্ষ্য ছিল পূর্ণ তিন পয়েন্ট।
তিনি আরও বলেন গরম আবহাওয়ায় ম্যাচের গতি কিছুটা কমে যায়। তবে সেটি অজুহাত নয়। স্কটল্যান্ড ম্যাচের জন্য এখনই পরিকল্পনা শুরু করেছি।