শিরোনাম
কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রীরসপ্তাহে অন্তত দুই দিন আধা ঘণ্টা করে সময় দিন দুর্গাপূজার ছুটিতে কক্সবাজারে ৬ লাখ পর্যটক সমাগমের প্রত্যাশা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট দলে নেই বড় দুই তারকা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সৌদিগামী ৮৯ ফ্লাইট বাতিল, আটকা সাড়ে ১৪ হাজার যাত্রী মার্কিন নির্বাচনের আগে তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে হুতিরা: ট্রাম্প ৪৫তম বিসিএস৩২১ দিনেও গেজেট হয়নি, অনিশ্চয়তায় ১৮০৭ সুপারিশপ্রাপ্তরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ৯ নভেম্বর
দীপ্ত নিউজ
বাংলাদেশ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল সংযোগ চালু নিয়ে সংশয়

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল সংযোগ চালু নিয়ে সংশয়

 

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আগামী মাসে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেল সংযোগ চালু করা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, অপরিকল্পিতভাবে রেললাইন নির্মাণের কারণে বন্যার কবলে পড়েছে দক্ষিণ চট্টগ্রাম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃত কারণ খুঁজে তার প্রতিকার না করা হলে, এ রেল প্রকল্পের ভবিষ্যত আরো খারাপ হতে পারে।

উঁচু নিচু ও আঁকা বাঁকা রেলপথের এই দৃশ্য চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নির্মাণাধীন রেললাইনের সাতকানিয়া অংশের। উদ্বোধনের আগেই গত সপ্তাহে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় নির্মাণাধীন রেলপথ। পাহাড়ি ঢলের প্রবলস্রোতে সাতকানিয়া–কেঁউচিয়া অংশে লাইন থেকে পাথর ও মাটি সরে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়েক কিলোমিটার অংশ।

পর্যাপ্ত ব্রিজ–কালভার্ট না রাখায় এই রেলপথের কারণে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয় সাতকানিয়া, চন্দনাইশসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বেশিরভাগ এলাকা। স্থানীয়রা বলছেন, প্রকল্প শুরু করার সময় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা বাড়াতে আন্দোলন করেও সুফল মেলেনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্রোতের বিপরীতমুখী রেলপথ হওয়ায় ক্ষতি এত বেশি হয়েছে। সমীক্ষার মাধ্যমে পরিবর্তন বা সংশোধনের ব্যবস্থা না করলে এই রেলপথের ভবিষ্যৎ আরো ভয়ঙ্কর হতে পারে।

রেলপথের নির্মাণকাজ শেষ করার কথা ছিল আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে। কিন্তু এখন কিছুটা সংশয় তৈরি হয়েছে।

এ রেললাইন প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০২৪ সাল পর্যন্ত। এতে ব্যয় হচ্ছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

 

আল/ দীপ্ত সংবাদ