তিন দিন আগে সৌদি আরবে চলে গেছেন সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সরফত আলী তার তিন সন্তানকে নিয়ে বসতঘরে ঘুমাতে যান। রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি তিন সন্তানসহ কীটনাশক পান করেন।
এতে তিন শিশুরই মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই বাবাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনী লাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময়ে ওই ব্যক্তি তার তিন শিশু সন্তানকে বিষপ্রয়োগ করেন এবং পরে নিজেও বিষপান করেন। সকালে স্বজন ও প্রতিবেশীরা ঘটনাটি জানতে পেরে চারজনকেই দ্রুত উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারের ডা. হাফিজ উদ্দিন কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক শিশুদের পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ হোসাইন মোহাম্মদ আরাফাত জানান, ভোরে খবর পেয়ে পুলিশ ডা. হাফিজ উদ্দিন কমপ্লেক্সে পৌঁছে তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। গুরুতর অসুস্থ বাবাকে স্বজনরা চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।