জ্বরের সময় গোসল করা যাবে কি না, তা নিয়ে আমাদের অনেকের মনেই নানা দ্বিধা কাজ করে। অনেকে ভাবেন জ্বরের মধ্যে গায়ে পানি ঢাললে হয়তো ঠান্ডা লেগে আরও জ্বর বেড়ে যাবে।
চিকিৎসকদের মতে, কিছু জরুরি নিয়ম মেনে চললে জ্বরের সময় গোসল করা পুরোপুরি নিরাপদ। এটি শরীর সতেজ করার পাশাপাশি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ সাহায্য করে।
জ্বরের মধ্যে গোসল করার সময় পানির তাপমাত্রার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। কনকনে ঠান্ডা কিংবা অতিরিক্ত গরম পানি– কোনোটাই ব্যবহার করা যাবে না।
শরীর ধোয়ার জন্য হালকা গরম বা কুসুম গরম পানি সবচেয়ে উপযোগী। হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করলে শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ করে কমে না, বরং আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হতে থাকে এবং শরীরের ক্লান্তিভাবও কেটে যায়।
ভুল করেও প্রচণ্ড জ্বরের সময় মাথায় বা গায়ে একদম ঠান্ডা পানি দেয়া যাবে না। এতে শরীরে কাঁপুনি উঠতে পারে এবং ভেতরের তাপমাত্রা উল্টো আরও বেড়ে যেতে পারে।
যদি শরীর খুব বেশি দুর্বল লাগে এবং গোসল করার মতো শক্তি না থাকে, তবে জোর করে গোসল না করাই ভালো। সে ক্ষেত্রে পরিষ্কার একটা তোয়ালে কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে পুরো শরীর ভালোভাবে মুছে (স্পঞ্জ করে) দেয়া যেতে পারে। এতেও বেশ আরাম পাওয়া যায়।
গোসল করার সময় ঘরের ফ্যান বা এসি বন্ধ রাখা উচিত, যাতে গায়ে সরাসরি ঠান্ডা বাতাস না লাগে। গোসল শেষ করেই দ্রুত তোয়ালে দিয়ে গা ভালোভাবে মুছে ফেলতে হবে।
এরপর সুতি ও আরামদায়ক পরিষ্কার পোশাক পরুন। অতিরিক্ত ভারী বা একদম আঁটসাঁট পোশাক পরবেন না, যেন শরীরের বাড়তি তাপ সহজে বের হয়ে যেতে পারে।
এসএ