মাটির নিচে আবারও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু: প্রতিবেদন

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

মাটির নিচের সুরক্ষিত কারখানাগুলোতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি ও সংযোজনের কাজ আবার শুরু করেছে ইরান। আগে থেকেই ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় মজুত থাকা বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এসব ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ও আঞ্চলিক কয়েকজন কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, দক্ষিণপূর্ব ইরানের খোজির ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাসহ একাধিক সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে বর্তমানে তরল ও কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ চলছে। নতুন করে হামলা এড়াতে তেহরান আরও ভূগর্ভস্থ সংযোজন কারখানা তৈরির চেষ্টা করছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও তার প্রশাসনের দাবি, অপারেশন এপিক ফিউরির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস করা। তবে ইরানের নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরুর খবর সেই লক্ষ্যকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

হোয়াইট হাউস ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অস্বীকার করেনি। তবে পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা নিউ ইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমনটি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কড়া নজর রাখছে এবং তাদের প্রত্যেক পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছে।’

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের নির্দেশে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা শিল্পকাঠামো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে, নৌবাহিনী ডুবিয়ে দিয়েছে এবং বিমান বাহিনীকে অকার্যকর করে দিয়েছে। ইরান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কখনোই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেবেন না।’

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, বোমা হামলা ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পকাঠামোর ৮৫ শতাংশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। হামলায় অধিকাংশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, উৎক্ষেপণকারী যান এবং দূরপাল্লার আক্রমণকারী ড্রোন ধ্বংস হয়েছে।

তবে প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পরও ইরানের ভূগর্ভস্থ সামরিক সংযোজন কেন্দ্রগুলোর কয়েকটি টিকে গেছে। আর এখন তেহরান নতুন সরবরাহ ব্যবস্থার পরিবর্তে বিদ্যমান যন্ত্রাংশই ব্যবহার করছে।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More