দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রৌপ্যের দাম কমানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ১২৫ টাকা (যা ভরিপ্রতি হিসেবে দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা)।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রৌপ্যের (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এন্ড প্রাইস মনিটরিং–এর সকাল ৯টার সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ২৬৫ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৫ হাজার ৬৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম ১২ হাজার ৮১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও নতুন করে নির্ধারণ করেছে বাজুস। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রৌপ্যালংকারের মূল্য ৩৮৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ৩১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম রৌপ্যালংকারের মূল্য ২৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী আলাদা মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালংকারের বিক্রয় মূল্যের সাথে ভ্যাট আগে থেকেই যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের নিকট থেকে নতুন করে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। রৌপ্যালংকারের ভ্যাটের বিষয়ে খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন মূল্য তালিকা কার্যকর থাকবে।