বিশ্বকাপে ইরানের লড়াই যেনো শুধু প্রতিপক্ষের সঙ্গে নয়, বরং নানা বিধিনিষেধ আর অনিশ্চয়তার বিপক্ষেও। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তাজনিত কারণে কঠোর ভ্রমণনীতির মাঝে খেলতে হচ্ছে দলটিকে। তাতে বিরক্ত দেশটির সমর্থকরা।
এদিকে ইরান ফুটবল দলের ওপর আরোপিত কঠোর ভ্রমণ বিধিনিষেধ শিথিল করার কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই বলে জানিয়েছে, অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বকাপে ইরান দলকে আন্ডারডগ বলা যাবে না। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তাদের অবস্থান ২২ নম্বরে। আর্লিং হালান্ডের নরওয়ে এবং মোহাম্মদ সালাহর মিসরের চেয়েও ওপরে। তবে প্রতিকূলতা বিবেচনা করলে এবার বিশ্বকাপে সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত ওয়েস্ট এশিয়ার এই দলটি।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে স্বাগতিক দেশগুলোর একটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রভাবে, তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শঙ্কায় পড়ে। ফলে ইরানের মাঠের ফুটবলের চেয়ে রাজনীতিই আলোচনায় এসেছে বেশি।
ইরান দল কেবল ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারছে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই তাদের মেক্সিকোর বেস ক্যাম্পে ফিরে যেতে হচ্ছে। এই বিধিনিষেধ নিয়ে দলটির প্রধান কোচ আমির ঘালিনোই‘য়ের মতো ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভক্তরাও।
অবশ্য সিয়াটলে আগামী শনিবার মিশরের সাথে তৃতীয় ম্যাচের আগে কিছু একটা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে ফিফা।