শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
FIFA 2026 24H Window
UPCOMING

FIXTURES

Syncing...
MATCH -- GROUP -
- - -
VS
- - -
KICK OFF:
Processing...
শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমিকম্প মোকাবিলায় আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম বাড়ানোর উদ্যোগ

বাজেট ২০২৬-২৭

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

২০২৬২৭ অর্থবছরের বাজেটে ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস ও জানমাল রক্ষায় আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও এর অভিঘাত প্রশমনে উল্লিখিত কর্মকাজোরদার করাসহ সম্ভাব্য বড় ধরনের ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি ও জানমাল রক্ষায় আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এ লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য আগামী ২০২৬২৭ অর্থবছরে ১০ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা চলতি ২০২৫২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ছিল ৯ হাজার ৬৯ কোটি টাকা।

বড় ধরনের দুর্যোগে কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের জন্য ন্যাশনাল ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার স্থাপনের জন্য জমি কেনা হয়েছে এবং নির্মাণ প্রকল্প নেয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগের জন্য প্রায় ৫২১ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক উদ্ধার যন্ত্রপাতি ও ১১টি এরিয়াল প্ল্যাটফর্ম ল্যাডার কেনা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির জন্য বেতার যোগাযোগ ১০০ ভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ৭৮ হাজার ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবকের একটি সমৃদ্ধ অনলাইন ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, এখন দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে টোলফ্রি ১০৯০ নম্বরে ডায়াল করে মুহূর্তেই আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানা যাচ্ছে। স্যাটেলাইট প্রযুক্তির সাহায্যে দুর্যোগ পূর্বাভাস কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। নদীভাঙন পর্যবেক্ষণে আধুনিক স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত খুদে বার্তার মাধ্যমে সতর্কবার্তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। সচেতনতামূলক কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড় ও অগ্নিকাসংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক মহড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।

আগামী ২০২৬২৭ অর্থবছরে মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট ৩ লাখ কোটি টাকাসহ মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা এবং পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগামী ২০২৬২৭ অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

২০২৬২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More