গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে একের পর এক প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। কয়েক দিনে কুকুরে কামড়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন না পাওয়ায় জলাতঙ্কের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার আলম সরকার।
এ ঘটনায় আহত রয়েছেন নারী ও শিশুসহ আরও ৯ জন।
গত ২২ এপ্রিল থেকে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে কুকুরটি প্রায় ১৩ জনকে কামড় দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সর্বশেষ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আফরুজা বেগম (৪০)।
মৃত আফরোজা বেগম উপজেলার কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ধুবনী বাজার এলাকার মতিয়ার রহমানের স্ত্রী। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে (বাদ জোহর) তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মৃত বাকি তিনজন হলেন, কঞ্চিবাড়ি গ্রামের খোকা রামের স্ত্রী নন্দ রানী (৫৫), একই গ্রামের নাইব উদ্দিনের ছেলে ফুলু মিয়া (৫২) ও রতনেশ্বর বর্মণ (৪২)। তাদের মধ্যে রতনেশ্বর বর্মণ পার্শ্ববর্তী ছাপরহাটী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খোকা বর্মণের ছেলে। পেশায় তিনি ছিলেন কাঠমিস্ত্রী। ঘটনার দিন বজরা কঞ্চিবাড়ি এলাকায় কাজে এসে কুকুরের কামড়ের শিকার হন রতনেশ্বর।
এছাড়া আহতরা হলেন, ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বজরা কঞ্চিবাড়ি গ্রামের লুৎফর রহমানের স্ত্রী ফজিতন নেছা, আশরাফুল আনন্দের স্ত্রী রুমিনা বেগম, লাল মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম, মৃত উমিতুল্লাহ ব্যাপারীর ছেলে হামিদুল ইসলাম, সালামের স্ত্রী সুলতানা বেগম, জয়নাল আবেদিনের স্ত্রী গোলেনুর বেগম, মনসুর আলীর মেয়ে মিতু আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে আতিকুর মিয়া, খাইরুল ইসলামের মেয়ে লাবন্য আক্তার ও আনিছুর রহমানের ছেলে বিজয় হোসেন।