সিরিয়ায় দীর্ঘ এক দশকের সামরিক উপস্থিতির অবসান ঘটিয়ে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সেখান থেকে অধিকাংশ সেনা প্রত্যাহার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওই কর্মকর্তা জানান, সিরিয়ার অভ্যন্তরে বর্তমানে স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে এবং ইসলামিক স্টেট (আইএস) যথেষ্ট দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে দেশটিতে এখন আর ‘বৃহৎ পরিসরে’ মার্কিন সামরিক উপস্থিতির প্রয়োজন নেই। এখন থেকে সেখানে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের মূল নেতৃত্ব দেবে সিরিয়ার বর্তমান সরকারই। তাই দেশটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
২০১৫ সাল থেকে সিরিয়ায় আইএস দমনে মার্কিন বাহিনী মোতায়েন ছিল। তবে হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, সেনা প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তটি একটি ‘শর্তসাপেক্ষ রূপান্তর প্রক্রিয়ার’ অংশ। সিরিয়ায় অবস্থানরত প্রায় এক হাজার সেনাকে সরিয়ে নেয়া হলেও ওই অঞ্চলের যেকোনো নিরাপত্তা হুমকির জবাব দিতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।
উল্লেখ্য, এই বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় আল তানফ গ্যারিসন এবং উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় আল শাদ্দাদি ঘাঁটি ত্যাগ করেছে। ২০২৪ সালে আসাদ সরকারের পতন এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপগুলো নেয়া হয়।
সূত্র: বিবিসি বাংলা।