শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর 'প্রটোকল ভঙ্গ 'রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার প্রত্যাহার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকির গ্রেপ্তার ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র বুধবার রাজধানীর যে যে এলাকার মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) নামাজ পড়ার সময়সূচি বাংলাদেশ–আফগানিস্তান ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা, ২১ অক্টোবর ২০২৬ বিজয়া দশমী আজ, প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হচ্ছে দুর্গোৎসব ‘সবচেয়ে খারাপ বাংলাদেশের সাংবাদিকগুলো, এগুলোরে কুত্তার মতো পেটানো দরকার’ ফাইনালে উঠার মারপ্যাঁচে বাংলাদেশ
দীপ্ত নিউজ
জাতীয়

লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখর আরাফার ময়দান

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ:
লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখর আরাফার ময়দান

আনুষ্ঠানিকভাবে লাখ লাখ মুসলমানের উপস্থিতিতে পবিত্র হজ শুরু হয়েছে আজ। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে আরাফাত প্রান্তর।

মঙ্গলবার (২৭ জুন) পবিত্র হজ, মুসলিম সম্প্রদায়ের বৃহৎ মিলনমেলা। বড়–ছোট, ধনী–গরিব, সাদা–কালো কোনো ভেদাভেদ নেই আজ। সব ভেদাভেদ ভুলে শুধু দুই খণ্ড সাদা কাপড় শরীরে জড়িয়ে সবাই একত্রিত হয়েছে আরাফার ময়দানে। সবার মুখেই একই ধ্বনি ‘আমি হাজির, হে আল্লাহ, আমি হাজির।’

সারাবিশ্ব থেকে আজ ২৫ লাখেরও বেশি মুসলিম আরাফার ময়দানে হাজির হয়েছেন। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হজ এটি।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক হাজির পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে আরাফার ময়দান।

দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘চলতি বছর আমরা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হজ করতে যাচ্ছি। করোনার বিধিনিষেধ পুরোপুরি উঠে যাওয়ায় এবার আগের বছরের তুলনায় বহু পরিমাণে বেড়েছে হজযাত্রীর সংখ্যা। করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে হজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন মাত্র ১০ হাজার মানুষ। আর ২০২১ সালে ৫৯ হাজার। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১০ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ১৬ লাখ মানুষই এসেছেন বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে।’

জিলহজের ১১ তারিখ মিনায় রাতযাপন করে দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হাজিরা বড়, মধ্যম ও ছোট শয়তানের ওপর সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করবেন। আর এ কাজটি করা সুন্নত। পরদিন ১২ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে পুনরায় একইভাবে হাজিরা তিনটি শয়তানের ওপর পাথর নিক্ষেপ করবেন। শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করা শেষ হলে অনেকে সূর্যাস্তের আগেই মিনা ছেড়ে মক্কায় চলে যাবেন। আর মক্কায় পৌঁছার পর হাজিদের একটি কাজ অবশিষ্ট থাকে। সেটি হচ্ছে, কাবা শরিফ তাওয়াফ করা। একে বলে বিদায়ি তাওয়াফ। স্থানীয়রা ছাড়া বিদায়ী তাওয়াফ অর্থাৎ কাবা শরিফে পুনরায় সাতবার চক্কর দেয়ার মাধ্যমে হাজিরা পবিত্র হজব্রত পালন সম্পন্ন করবেন।

এদিকে গতকাল সারা দিন এবং গতরাতে হজযাত্রীরা মিনায় অবস্থান করেন। সেখানেই শুরু হয় পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।

পবিত্র হজ উপলক্ষে মক্কা, মদিনা, মিনা, আরাফার ময়দান, মুজদালিফা ও এর আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে সৌদি সরকার।

বাংলাদেশ থেকে এ বছর হজ করছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮৮৪ জন হাজি।

 

আফ/দীপ্ত নিউজ

এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।