রংপুরে ৪ খুন: আদালতে জবানবন্দি দিলেন মাদক কারবারি শান্ত

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের ৪জন হত্যার ঘটনায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন শান্ত দাস নামে এক মাদক কারবারি।

রংপুর নগরীর মাসুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের ৪জন হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন শান্ত দাস নামে এক মাদক কারবারি।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত২ এর বিচারক রফিকুল ইসলাম তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এর আগে, অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাসের প্রতিবেশী ও বন্ধু সীমান্ত দাস এবং শ্মশানের গার্ড বিদ্যুৎ মোহন্ত সাক্ষী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি জিন্নাত আলী।

তিনি জানান, ২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দিনগত রাতে আসামি সিদ্ধার্থ দাস মোবাইল বন্ধক রেখে তার কাজ থেকে ইয়াবা কিনেছেন এবং পরের দিন সাড়ে ৩ হাজার টাকা দিয়ে বন্ধক রাখা মোবাইল ফোন ফেরত নিয়ে যান বলে আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন শান্ত।

ওসি জিন্নাত আলী আরও বলেন, আসামিদের দেওয়া জবানবন্দি অনুযায়ী, ঘটনার আগে তারা তাদের বন্ধু সীমান্তের বাড়িতে গিয়ে ৩টি ইয়াবা সেবন করেন। পরে আরও ইয়াবা সেবনের ইচ্ছে জাগলে পাশের কামাল কাছনা এলাকায় শান্তর কাছে যান। সেখানে মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ৪টি ইয়াবা সংগ্রহ করেন বলে তারা জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন।

পুলিশ জানায়, শান্ত’র নামে মাদক ব্যবসার অভিযোগ থাকলেও মামলা নেই। এছাড়া, তাকে আটকের সময় কোন মাদকও পাওয়া যায়নি। যে কারণে তাকে গ্রেপ্তর দেখানো হয়নি। তবে সে সেবনের সাথে জড়িত।

প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে ২৩ আগস্ট ভোরেই গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তারা সেদিন রাতেই রংপুর মহানগর ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত২ এর বিচার রফিকুল ইসলামের কাছে খুনের কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।

মামলাটি বর্তমানে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করছে। 

 

এসএ 

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More