শিরোনাম
ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর তিন জেলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে যেসব কাজ করা যাবে অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে ১৩ নির্দেশনা ফায়ার সার্ভিসের বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী আসছেন মঙ্গলবার, ব্যাপক প্রস্তুতি ডেঙ্গুতে একদিনে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
দীপ্ত নিউজ
বাংলাদেশ

বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

 

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে জবিউল হক মাস্টার নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার ১৪ বছর পর মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি মো. জুয়েল হাওলাদারকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

বুধবার (১০ মে) ভোরে রাজধানী ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত জুয়েল হাওলাদার লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের সেবাগ্রামের মৃত ওমর ফারুকের ছেলে।

র‍্যাব–১১, সিপিসি–৩, নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার মাহমুদুল হাসান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামি জুয়েল গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে র‍্যাব তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

জানা যায়, জমি থেকে মাটি কাটার জেরে ২০০৯ সালের ২৩ জুন বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশী আবদুর রশিদের ছেলে আলাউদ্দিন চৌধুরীর (৫৪) নির্দেশে অভিযুক্তরা মুক্তিযোদ্ধা জবিউল হকের মাথায় কাঠ দিয়ে আঘাত করেন। এতে তার মাথা ফেটে রক্ত বের হয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তিনি মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় ভিকটিম জবিউল হকের ভাই হাজী নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে আলাউদ্দিনকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের নামে রামগতি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ২১ মে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দেন লক্ষ্মীপুর সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক বশির আহাম্মদ।

অভিযোগপত্রে তিনি মামলার প্রধান আসামি আলাউদ্দিনসহ আবদুল্লাহ, মাহবুব, স্বপন, জুয়েল ও মাকসুদ হাওলাদারকে অভিযুক্ত করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত–১ এর বিচারক আজিজুল হক মামলার ৫ নম্বর আসামি জুয়েলের মৃত্যুদণ্ড এবং ৩ নম্বর আসামি মাহবুব ওরফে মাফুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

 

আল/দীপ্ত সংবাদ