দীর্ঘ দেড় দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে উদিত হতে যাচ্ছে এক নতুন সূর্য। বহুল আকাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আজ। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংবিধান সংস্কার ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বিষয়ে ঐতিহাসিক গণভোট।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।
২০০৮ সালে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরুর পর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রার্থী মৃত্যুর কারণে শেরপুর–৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।
মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। নারী প্রার্থী রয়েছেন মোট ৮৩ জন— দলীয় ৬৩ জন ও স্বতন্ত্র ২০ জন। পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৯৪৫ জন— দলীয় ১ হাজার ৬৯২ জন এবং স্বতন্ত্র ২৫৩ জন।
মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।
সারা দেশে ভোট গ্রহণ হবে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে।
এই নির্বাচনে প্রথমবার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯৬০টি প্রবাসী ব্যালট দেশে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২ লাখ ৭০ হাজার ৩৮টি ব্যালট গ্রহণ করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। প্রবাসী ভোটসহ পোস্টাল ব্যালটগুলো মূল ভোট গণনার সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অংশ নিতে ঢাকা পৌঁছেছেন অন্তত ৩৯৪ জন বিদেশি নির্বাচনি পর্যবেক্ষক এবং ১৯৭ জন বিদেশি সাংবাদিক। পাশাপাশি ৫৫ হাজারের বেশি দেশি পর্যবেক্ষকও মাঠে রয়েছেন।
এসএ