সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে সাতক্ষীরায় নেওয়া হচ্ছে।
মরদেহ নেওয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া জোগাড় করতে পরিবারকে প্রায় ১৭ হাজার টাকা ধার করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন মরিয়মের ফুফা। পরিবারের অভিযোগ, এমন কঠিন পরিস্থিতিতেও এমপি পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ তাদের খোঁজ নেননি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মরিয়মের ফুফা সিকান্দার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মরিয়মের মরদেহ নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া বাবদ প্রায় ১৭ হাজার টাকা প্রয়োজন হয়। পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় বাধ্য হয়ে ওই টাকা ধার করতে হয়েছে।
মরিয়মের ফুফার অভিযোগ, পরিবারের এমন সংকটের মধ্যেও এমপি পরিবারের কোনো সদস্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি বা খোঁজ নেননি।
এর আগে রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। মরিয়মের পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার বিষয়ে বিভিন্ন অভিযোগও করা হয়েছে। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে।