শিরোনাম
বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে এনআইডি সংশোধনের ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি গাজীপুরে পোশাক কারখানার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ারের ৮ ইউনিট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই, থাকছে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ আল-আকসা মসজিদের খতিবকে তুলে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী এবার স্প্যানিশ ‘নোবেল’ জিতলেন মেসি বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম দেওয়ায় মারধর, ৯ দিন পর অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি
দীপ্ত নিউজ
জাতীয়

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ:
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ
ছবি: সংগৃহীত

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামিক স্কলার আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

 

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

‘দীপ্ত নিউজ’ পাঠকদের জন্য ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

‘শিক্ষার্থীর প্রতি শাসন, স্নেহ ও যত্নেরও সীমারেখা আছে। বিশেষত ধর্মীয় শিক্ষকের ক্ষেত্রে এই নৈতিকতা হতে হবে আরও কঠোর। ‘পিতার মতো’ কিংবা ‘বড় ভাইয়ের মতো’ কোনো পরিচয়ই সীমালঙ্ঘনের বৈধতা দিতে পারে না।’

‘যিনি স্নেহ ও শাসনের সীমা বোঝেন না, শিক্ষকতার নৈতিক দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা নিয়েই তাঁর প্রশ্নের মুখে পড়া উচিত।’

‘অভিযোগ হলে নিরপেক্ষ তদন্ত চাই, অপরাধ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আবার তদন্তের আগেই পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তও নয়। সত্য জানতে হবে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।’

‘ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর। এতে অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত হয়, প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতাও নষ্ট হয়।’

‘নিজেদের অন্যায় আড়াল করব, আর অন্যের অন্যায়ে সরব হব” এ কেমন নৈতিকতা? এটা আবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কেমনে হবে? কোদালকে কোদাল বলতে না পারলে আমরা নিজেরাই শুধরাতে পারিনি বাঁকিদের ওয়ায করবো কোন যোগ্যতায়!’

‘ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানভেদে বদলাতে পারে না।’

‘সব কথার শেষ কথা ‘নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো কোনো ছাড় নাই‘ এটাই শেষ কথা। কে কি ভাবলো আর বল্লো তাতে গুল্লি মারেন।’

এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।