আকার এবং ওজনে দেশের সবচেয়ে বড় আম ধরেছে বলে দাবি শারিনা এগ্রো নার্সারি মালিকের । ব্রুনাই কিং জাতের এক একটি আমের ওজন প্রায় সাড়ে তিন কেজি। খেতেও সুস্বাদু। চাষি পর্যায়ে এ আম প্রসারে কলম তৈরি করে বিক্রি করছে বাগানি। ফলে শৌখিন আম চাষিরা এ গাছ লাগাতে পারেন বলে মত দিয়েছেন আম বাগানি শাহ আলম।
দক্ষিণের উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠি বিখ্যাত পেয়ারা, আমরা,সুপারি ও ধানের জন্য, তবে আম বাগান করে ভালো ফলন পেতে শুরু করেছে জেলার নলছিটি উপজেলার অনেক আম বাগানি। এর মধ্যে উল্লেখ যৌগ্য আম বাগানি হচ্ছে উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া গ্রামের শাহ আলম। শারীরিক অসুস্থতার কারনে সরকারি চাকুরি ছেড়ে গ্রামের বাড়ি গড়ে তুলেন আম বাগান ও নার্সারি বেশ কয়েক বছরের মধ্যেই সাফল্য পেতে শুরু করেন তিনি।
তার বাগানে ব্রুনাই কিং নামের চার বছর আগে গাছ রোপণ করার পরে দুই বছরের মধ্যে সামান্য ফলন আসলেও এ বছর অনেক আম ধরেছে তার বাগানে পাতার ফাঁকে ফাঁকে শোভা পাচ্ছে কাঁচা পাকা আমগুলো। শারিনা এগ্রো নার্সারিতে এছাড়া দেশি–বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ১শত জাতের আম রয়েছে তার বাগানে। বাগানি শাহ আলম জানান কয়েক বছর আগে তিনি আম চাষে আগ্রহী হয় টিভিতে একটি প্রতিবেদন দেখে। তার পর থেকে বিভিন্ন জাতের আম চারা সংগ্রহ করা শুরু করি দেশ বিদেশ থেকে। এখন তিনি সফল আম বাগানি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে জেলা ঝুড়ে, তার কাছ থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসে গাছের চারা ও কলোম সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছে। গতবছর বেশ কয়েক লক্ষ টাকা লাভবান হয়েছে শাহ আলম, এবারও ভালো লাভবান হওয়ার আশা তার ।
আমের মৌসুম জৈষ্ঠ্য মাসে এ আম পাকে না, আষাঢ় ও শ্রবণ মাসে পাকে তাই এ সময়ে বাজারে ওঠা আমের চাহিদাও ভালো থাকে । প্রতি কেজি আম বিক্রি হয় ৩ থেকে ৪শত টাকা দরে পাইকারি । দেশের বিভিন্ন সুপার সপ ও আম বাজারের পাইকাররা এসে আম কিনে নিয়ে যায় এখান থেকে।
নলছিটি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সানজিদ আরা শাওন বলেন নলছিটি উপজেলায় প্রায় ৩ শত আমের বাগান রয়েছে, এতে আমের ভালো ফলন হচ্ছে। কৃষকদের আম চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে আমরা তাদের সার্বিক সহয়াতা করে আসছি।
খালিদ হাসান/ আল /দীপ্ত সংবাদ