বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের ৩০ গ্রামে রোজা শুরু

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের প্রায় ৩০টি গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা রোজা রাখেন। প্রায় ১০০ বছর ধরে বাংলাদেশের একদিন আগেই তারাবির নামাজ পড়ে রোজা শুরু করেন তারা। এ বছরও এসব গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ একদিন আগেই পবিত্র রোজা পালন করবে বলে জানিয়েছে সুরেশ্বর দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে শরীয়তপুরের সুরেশ্বর দরবার শরীফে পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে তারাবির নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা যায়, সারাদেশে সুরেশ্বর পাক দরবার শরীফের কয়েক লাখ ভক্ত ও অনুরাগী ১৯২৮ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করেন। এর মধ্যে শরীয়তপুরের সুরেশ্বর, কেদারপুর, চাকধ্, চন্ডিপুরসহ ৩০ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র রোজা পালন করেন। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে মুসল্লিরা বুধবার রাতে তারাবির নামাজ পড়ে ভোর রাতে সেহরি খাবেন। আগামীকাল থেকে তারা রোজা পালন শুরু করে আবার একদিন আগেই পবিত্র ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেবেন।

সুরেশ্বর দরবার শরীফের ভক্ত আব্দুল জলিল। তিনিও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখবেন বলে সুরেশ্বর দরবারে এসেছেন তারাবির নামাজ আদায় করতে। তিনি বলেন, আমার বাবাও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখতেন। আমরা বংশ পরম্পরায় এভাবেই ধর্ম পালন করি। ইনশাআল্লাহ আমি আগামীকাল রোজা রাখব।

সুরেশ্বর দরবার শরীফের গদীনশীন পীর শাহ মুজাদ্দেদী সৈয়দ তৌহিদুল হোসাইন শাহিন নূরী বলেন, পবিত্র রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সুরেশ্বর দরবার শরীফের দুইটি মসজিদে প্রায় ১০০ বছর ধরে তারাবির নামাজ আদায় করা হয়। পৃথিবীতে চাঁদ একটাই। সুতরাং পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলেই আমরা তারাবি, রোজা ও ঈদ পালন করি। সুরেশ্বরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রায় ৩০টি গ্রামের ২০ হাজার মুসল্লি পবিত্র রোজা পালন করবেন। সবাইকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানান তিনি।

সালাউদ্দিন রুপম/শরীয়তপুর/দীপ্ত সংবাদ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More