বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
UPCOMING

FIXTURES

FIFA 2026 24H Window
MATCH -- ROUND -
- - -
VS
- - -
KICK OFF:
Processing...
বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে মিশরের গোল বাতিল হলেও আর্জেন্টিনার গোল বৈধ

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

মোস্তাফা জিকো ততক্ষণে গোলের উদযাপন সেরে ফেলেছেন। ক্যামেরায় ধরা পড়ছিল লিওনেল মেসিদের হতাশাভরা মুখ আর মোহাম্মদ সালাহদের উল্লাস। কিন্তু মুহুর্তেই সব বদলে গেল। রেফারি জানাল, গোল হয়নি। সেই না হওয়া গোল নিয়েই চলছে আলোচনাসমালোচনা।

যে কারণে মিশরের গোল বাতিল

ম্যাচে তখন ধারাভাষ্যকাররা বলছিল, ঘটনাটি ভিএআরএর পর্যালোচনার আওতায় পড়ে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বিতর্কিত ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে মিশরও। তবে আইন বলছে ভিন্ন কিছু।

ম্যাচে মিশর তখন ১০ ব্যবধানে এগিয়ে। দলের ফরোয়ার্ড মোস্তাফা জিকো দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে গোল করেন। মোহাম্মদ সালাহ বল বাড়িয়ে দিলে জিকো কাছ থেকে জালে বল পাঠান। গোলের পর উচ্ছ্বাসে জার্সি খুলে উদযাপনও করেন। কিন্তু কয়েক মিনিট পর ভিএআর হস্তক্ষেপ করে। গোল হওয়ার আগে আক্রমণ গড়ার সময় মিশরের এক খেলোয়াড় ফাউল করেছিলেন বলে সিদ্ধান্ত দেন ম্যাচ কর্মকর্তারা। ফলে জিকোর গোলটি বাতিল করা হয়।

গোল বাতিলের ব্যাখ্যায় ভিএআর বলছে– ফাউলের সময় মার্টিনেজের জার্সি টেনে ধরে তার পায়ের ওপর পা দিয়ে চেপে ধরেছিলেন আত্তিয়া। যা ফাউল হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ভিএআরের সেই সিদ্ধান্তে একমত হওয়া সাপেক্ষে ফরাসি রেফারি লেটেক্সিয়ে গোল বাতিল করে দেন।

আর্জেন্টিনার গোল যেভাবে বৈধ

শেষদিকে দুটি ফাউলের আবেদন জানায় মিশর। দুটিই ছিল আর্জেন্টিনার বক্সের ভেতর। যার মধ্যে একটি যোগ করার সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে এবং তাদের দাবি করা ফাউলের পরই এনজো ফার্নান্দেজের গোলে ৩০ ব্যবধানে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। প্রথম ফাউলের ঘটনায় মিশরের হামদি ফাতির জার্সি টেনে ধরতে দেখা যায় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে। তিনি পড়ে গেলেও রেফারি ফাউল ধরেননি। এরপর আর্জেন্টিনার পেনাল্টি এলাকায় ঢোকার সময় মোহামেদ সালাহকে ফাউল করেন হুলিয়ান আলভারেজ। সেটিও ফাউল হিসেবে বিবেচিত হয়নি।

পরে ভিএআর ঘটনা দুটির ব্যাখ্যায় জানিয়েছে, ম্যাক অ্যালিস্টারের ঘটনাটি মাঠের যেখানে ঘটেছিল, সেখানে এক অদ্ভুত ‘দ্বিমুখী পরিস্থিতির’ তৈরি হয়। সেখানে রেফারি কোনো সিদ্ধান্ত বদলালে তার প্রভাব একসঙ্গে দুটি ক্ষেত্রে পড়ত। আর্জেন্টিনার গোল বাতিল এবং মিশরের পেনাল্টি প্রাপ্তি। তবে আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের (অ্যালিস্টার ও আলভারেজ) আচরণ ও খেলার ধরন বিশ্লেষণ করে ভিএআর নিশ্চিত হয় যে, কোনো সিদ্ধান্তেই হস্তক্ষেপ করার মতো বড় কোনো ভুল হয়নি। তাই তারা দুটি ঘটনাই পরীক্ষা করে রেফারির আগের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন।

ডেভিসের যুক্তি : রেফারি ও ভিএআরের জন্য ম্যাচের শেষ অংশটি কঠিন ছিল। তবে দুটি ক্ষেত্রেই তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মতামত ডেভিসের। প্রথমত, ম্যাক অ্যালিস্টার ফাতির জার্সি ধরে ঝুঁকি নিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি ছিল খুবই অল্প সময়ের জন্য। এতে ফাতির বল পাওয়ার সম্ভাবনা বা আক্রমণে অংশ নেওয়ার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি। তাই এটিকে পেনাল্টি দেওয়ার মতো ফাউল বলা যায় না।

একইভাবে সালাহকে পেনাল্টি না দেওয়ার সিদ্ধান্তও সঠিক। ওই ঘটনায় সালাহ ফাউলের চেয়ে পেনাল্টি আদায়ের চেষ্টা বেশি করেছেন। আলভারেসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো ফাউল ছিল না। দুজনের বুট একে অপরের সঙ্গে লাগে এবং দুজনের গতির কারণেই সেই সংস্পর্শ তৈরি হয়। সালাহ অপ্রয়োজনীয়ভাবে মাটিতে পড়ে যান।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More