মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। এরইমধ্যে বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে আংশিক সেনা সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগন ইরানের সেনা ঘাঁটিসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর তালিকা ট্রাম্পের কাছে জমা দিয়েছে বলে দাবি করেছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।
তেহরানে অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানের প্রধান বিচারপতি বলেছেন, রাজপথে নাশকতায় জড়িতদের দ্রুততম সময়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, বিক্ষোভকারীদের মৃতুদণ্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ইরান। অর্থনৈতিক দুরবস্থার জেরে শুরু হওয়া বিক্ষোভ রূপ নিয়েছে সরকার পতন আন্দোলনে। উত্তাল রাজপথের আন্দোলন দমাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরানের সরকার।