কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ফসলি জমি পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মিস সোহানা নাসরিন। পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেন এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামের ফসলি জমি পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক জানান, এ বছর হাওরে ১ লাখ ৪ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছিল। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ৫১ শতাংশ ফসল কাটা সম্ভব হয়েছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে অবশিষ্ট ফসলের একটি বড় অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে থাকায় কৃষকরা শ্রমিক ও হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করে দ্রুত ফসল কাটার চেষ্টা করছেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা করছেন, যাতে দ্রুত এই সংকট মোকাবিলা করা যায়।
এছাড়া যেসব কৃষক এখনো ফসল ঘরে তুলতে পারেননি, তাদের জন্য সরকার বিশেষ সহায়তা পরিকল্পনা গ্রহণ করছে, যাতে আগামী তিন মাস তারা কোনো কষ্টে না থাকেন। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে।
এ সময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ–পরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান, মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ বিন শফিক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উবায়দুল ইসলাম খান অপুসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
মশিউর নাদিম