দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ছিলেন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী ও দলটির সদ্য সাবেক মহাসচিব। ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন তিনি। প্রতিদ্বন্দী অলি আহমেদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সভাকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের লক্ষ্যে ভোট গ্রহণ চলে।
এ নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ।
রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রের অন্য সব ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। তাঁর নামেই রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও উত্তরাধিকারী দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি পদে বহাল থাকেন। একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ রাষ্ট্রপতি থাকতে পারেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে পরপর এবং সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ দায়িত্ব পালন করেন।
একাধিক প্রার্থী থাকায় ৩৫ বছর পর এবার রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হলেন নির্বাচনী কর্তা।
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা রাষ্ট্রপতি কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব নেওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। গত মাসে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এভাবে সংবিধান রাষ্ট্রপ্রধানের পদটির ধারাবাহিকতাও নিশ্চিত করেছে।