সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে ঢাকার বার্তার

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ঘিরে সৃষ্ট ঘটনায় গভীর হতাশা প্রকাশ করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় উপহাইকমিশনারকে তলব করেছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা আজ বিকেলে বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় উপহাইকমিশনার পবন বঢ়েকে তলব করা হয় এবং এ ঘটনায় বাংলাদেশের গভীর হতাশার কথা তাকে জানানো হয়।

এর আগে দিনের শুরুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ঘটনাটিকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ও ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেন এবং এ বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান।

তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি ‘অনাকাঙ্ক্ষিত, একই সঙ্গে দুঃখজনকও।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও ইঙ্গিত দেন যে, এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিনের পরবর্তী সময়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেবে।

ডা. জাহেদ উর রহমান সোমবার দেশে ফিরে আসেন। রোববার সন্ধ্যায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভারতীয় অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নিরাপত্তা যাচাইয়ের সময় তার নাম একটি নজরদারি তালিকায় (ওয়াচলিস্ট) শনাক্ত হওয়ায় তাকে আটকে রাখা হয় বলে জানা যায়।

কূটনৈতিক ও গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ার সময় তার নাম ওয়াচলিস্টে উঠে আসার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষায় রাখা হয়।

পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাকে সফর অব্যাহত রাখার অনুমতি দিলেও তিনি সফর চালিয়ে না গিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

উপদেষ্টা নিয়মিত বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও সার্ক ভিসা ব্যবহার করে ভারত সফরে গিয়েছিলেন। তার কাছে কোনো কূটনৈতিক পাসপোর্ট ছিল না।

রবিবার (১৫ জুন) রাতে ঢাকায় সরাসরি কোনো ফ্লাইট না থাকায় তিনি কলম্বো হয়ে সোমবার দেশে ফেরেন।

ডা. জাহেদ ভারত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (আইওআরএ)-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কমিটির (সিএসও) ২৮তম বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে গিয়েছিলেন। ১৫ ও ১৬ জুন নয়াদিল্লিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উদ্ভাবন, উন্মুক্ততা, স্থিতিস্থাপকতা ও অভিযোজন সক্ষমতা’ প্রতিপাদ্য অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আইওআরএভুক্ত দেশগুলোর জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন। তারা সংস্থার অগ্রগতি পর্যালোচনা, আঞ্চলিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

সিএসও হলো আইওআরএর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা এবং এটি সংস্থাটির প্রধান সমন্বয়কারী কাঠামো হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More