হাম প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আগামী ৩ মে থেকে সারাদেশে টিকা সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, বলেন, ৩ মে থেকে বাকি জেলা ও উপজেলাগুলোতেও পর্যায়ক্রমে টিকা দেওয়া হবে, যাতে সব শিশু ঝুঁকিতে না থাকে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে ‘জাতীয় টিকাদান‘ কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে হাম কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। হাম এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা করোনা মহামারির চেয়ে কম উদ্বেগজনক নয়।
তিনি আরও বলেন, ইউনিসেফসহ কয়েকটি সংস্থার সহায়তায় এই ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। সরকার অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বিবেচনা করে প্রথমে ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় শিশুদের জন্য এই ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করে। ১২ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ ও বরিশাল জেলায় পরবর্তী ধাপের টিকা দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতি ৪ বছর অন্তর হাম–রুবেলার টিকা দেওয়ার কর্মসূচি থাকলেও বিগত সরকার এ বিষয়ে অবহেলা করেছে। ২০২০ সালে শিশুদের জন্য হাম–রুবেলার টিকা দেয়ার কথা থাকলেও আ.লীগ সরকার সেটা না করে সারাদেশে শিশুস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়িয়েছে।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাম–রুবেলা যাতে বাংলাদেশে কোনো মারাত্মক আকার ধারণ করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সজাগ আছে।
উল্লেখ্য, আজ দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস পর্যন্ত শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেগুলো হলো—রাজশাহী (গোদাগাড়ী), ঢাকা (নবাবগঞ্জ), মুন্সীগঞ্জ (লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর) , ঝালকাঠি ( নলছিটি), ময়মনসিংহ (ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর), চাঁদপুর (হাইমচর ও সদর), বরিশাল (মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ), পাবনা (ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া), নওগাঁ (পোরশা), গাজীপুর সদর, নেত্রকোণা (আটপাড়া), শরীয়তপুর (জাজিরা), বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজার (মহেশখালী ও রামু), চাঁপাইনবাবগঞ্জ (সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট), নাটোর সদর এবং যশোর সদর।
এসএ