যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহে শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদল তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় উপস্থিত হয়েছে।
ইরনা বার্তা সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, শুক্রবার ( ৩ জুলাই) তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় খামেনির মরদেহে বিদেশি ব্যক্তিত্বদের শ্রদ্ধা নিবেদনের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে রাশিয়া, ভারত, চীন, তুরস্ক, ইরাক, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, হাঙ্গেরি এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় নেতারা, পাশাপাশি ইরাকের কাতায়েব হিজবুল্লাহ–এর সদস্যরা শহীদ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এছাড়া, ইন্দোনেশিয়া ও আফগানিস্তানের আলেম ও ধর্মীয় চিন্তাবিদ, আহমদ মাসউদ (আহমদ শাহ মাসউদের পুত্র), লেবাননের আমাল আন্দোলনের প্রতিনিধিদল, সিরিয়া, লেবানন, ইরাক, মরক্কো ও তুরস্কের প্রতিরোধ ফ্রন্টের প্রতিনিধিরা, আফগানিস্তানের ফাতেমিয়ুন ব্রিগেডের প্রতিনিধি এবং পাকিস্তানের শিয়া নেতারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
স্পেন, ইকুয়েডর ও বলিভিয়ার সাংস্কৃতিক কর্মী, বুলগেরিয়ার সংসদ সদস্য ও রিপাবলিকান পার্টির প্রতিনিধিরাও শহীদ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ইরানের বিশিষ্ট রাজনীতিক গোলাম আলী হাদ্দাদ আদেল এবং দেশটির আরও অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এছাড়া শহীদ সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহর পরিবার, লেবাননের প্রতিরোধ আন্দোলনের কমান্ডাররা, বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামির একটি প্রতিনিধিদল, ইরাকের উপজাতীয় নেতা, কুর্দিস্তান অঞ্চলের কুর্দি দলসমূহ, ইরাকি সংসদের সদস্য, লেবাননের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, লেবানন, ইরাক ও আফগানিস্তানের গণমাধ্যমকর্মী, ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি দল, হিন্দু ধর্মীয় নেতারা, থাইল্যান্ড ও জার্মানির শিয়া প্রতিনিধিরা, রাশিয়ার আলেমদের প্রতিনিধি দল, তুরস্কের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং জর্জিয়ার মুসলিম প্রশাসনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ী জানান, শহীদ নেতার বিদায় অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০টি দেশের সরকারি প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন গণসংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি ৮ জন রাষ্ট্রপ্রধান এবং ১২ জন পার্লামেন্ট স্পিকার অংশগ্রহণ করবেন।