নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (৪ জুন) রাত ১০টা ১০ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারগার থেকে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা চলমান রয়েছে। সবগুলো মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছালে যাচাই বাচাই শেষে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার আন্দোলনের ঘটনায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টা এবং বিস্ফোরক আইনে ১২টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুই মামলায় ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল দিয়ে আইভীকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করে।
১৭ মে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
এর আগে গত ১০ মে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় হত্যাসহ পৃথক ১০ মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। ১২ মামলায় আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনাদেশ ও জামিন বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেওয়া আদেশে কারা কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছানোর পর যাচাই বাচাই শেষে মুক্তি দেয়া হয়।
২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।