শিরোনাম
নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামীকাল স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরছে সুপ্রিম কোর্ট ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’—লিখে এসিল্যান্ডের ফেসবুক পোস্ট ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৫‘ওয়ালটন হাউজফুল অফার’-এ পণ্য ক্রয়ে ঘরভর্তি ফ্রি পণ্যসহ বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ স্বামীর ‘আলিঙ্গনে’ ভাঙল স্ত্রীর পাঁজরের ৫ হাড়, ভিডিও ভাইরাল ১১ বছর পর মাঠে ফিরছেন রোনালদিনহো ডিএসসিসি প্রশাসক.রাস্তা ও ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসালেই মামলা, মালামাল ক্রোক ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৯৮ ১৫ বছর ধরে প্রতিদিন স্ত্রীর কবর পরিষ্কার করেন মওলা বক্স হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু
দীপ্ত নিউজ
ঢাকা বিভাগ

৩ মাসের শিশুর পা মোচড় দেয়া চাচি পলাতক, আটক ৩

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
৩ মাসের শিশুর পা মোচড় দেয়া চাচি পলাতক, আটক ৩
ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদী জেলার ৩ মাস বয়সী এক শিশুর পা মোচড় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আপন চাচির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত নারীর স্বামীসহ পরিবারের ৩ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত চাচি লতা বেগম (৩২) পলাতক রয়েছেন।

এর আগে, গত ১১ জুন নরসিংদী সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্র জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে রাগের বশে লতা বেগম ঘরে ঢুকে ৩ মাস বয়সী শিশু রিজিক–এর পা মোচড় দেন। সে সময় শিশুটির মা গোপনে মুঠোফোনে দৃশ্যটি ধারণ করে রাখেন। পরে গত ১১ জুলাই তিনি ভিডিওটি তার ভাই ইব্রাহিমকে দেন। তবে কারা এবং কীভাবে ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে, ভাইরাল হওয়া তথ্যের সঙ্গে শিশুটির মা–বাবার বক্তব্যের অমিল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মাধবদী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, শিশুর পা ভাঙার দাবিটি সত্য নয়।

শিশুর বাবা জহিরুল হক জহির ও মা সাইফা জানান, এটি সম্পূর্ণ তাদের পারিবারিক বিষয় এবং ৩ দিন আগেই পারিবারিকভাবে এর মীমাংসা হয়ে গেছে। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে এবং তার পা ভাঙেনি। পায়ে ব্যান্ডেজ বা কোনো চিকিৎসারও প্রয়োজন হয়নি। তাই এ নিয়ে তাদের কোনো অভিযোগ নেই। সামাজিক মাধ্যমে মনগড়া তথ্য দিয়ে ভিডিওটি ছড়ানো হচ্ছে।

তবে তদন্তের স্বার্থে এবং এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অভিযুক্ত লতা বেগমের স্বামী কাউছার আহমেদ, শ্বশুর আলমাছ মিয়া এবং শাশুড়ি শেফালী বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। এ সময় একটি মুঠোফোনও জব্দ করা হয়।

মাধবদী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, প্রায় ৫ দিন আগের এই ঘটনার একটি ভিডিও গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দাবি করা হয়, পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুটির পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পরপরই অনুসন্ধানে নামে পুলিশ।

 

এসএ

এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।