সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা কারখানায় আগুনে দগ্ধ হয়ে অন্তত ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এদের মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১০ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে।
নিহতদের মধ্যে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ঝিকড়া ইউনিয়নের মরুগ্রামের শ্যামল উদ্দিন মাঝির ছয় বছর পর দেশে আসার কথা ছিল আগামী শুক্রবার। দেশে ফিরে দুই মেয়ের একসঙ্গে বিয়ে দেওয়ার আশা ছিল। এক মেয়ে আজ এসএসসিতে পাস করেছে। কিন্তু মেয়ের খুশির খবর শুনতে পেল না বাবা।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে পরিবারের বাকি সদস্যের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মৃতের পরিবারের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে তার মরদেহ দেশে আনা হোক। ২০১৯ সালে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জামিয়েছিলেন শ্যামল উদ্দিন মাঝি। পরিবার ছেড়ে প্রবাস জীবনের ছয় বছরের মাথায় দেশে ফেরার কথা ছিল তার। তার সংসার জীবনে তিন মেয়ে রয়েছে। তার মধ্যে বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে। আর দুই মেয়ে লেখাপড়া করছে।
এর মধ্যে মেজ মেয়ে সাদিয়া এসএসসি পাস করেছে। ঝিড়রা হাই স্কুল থেকে জিপিএ–৪ পেয়ে পাস করেছে। মেয়ের স্বপ্ন ছিল বাবাকে রেজাল্টের কথা জানাবে। কিন্তু সব শেষ হয়ে গেল।