দীর্ঘ অপেক্ষার পর সোমবার (১ ডিসেম্বর) থেকে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন যাওয়া শুরু করবে পর্যটকবাহী জাহাজ। সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে পরবর্তী ২ মাস (৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত) দ্বীপটিতে রাত্রিযাপন করার সুযোগ পাবেন পর্যটকেরা।
নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল ৭টায় জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। পরদিন দুপুর ৩টায় একই জাহাজ সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজারে ফিরে আসবে।
কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম জানান, এমভি কর্ণফুলি এক্সপ্রেস, এমভি বারো আউলিয়া, কেয়ারি সিন্দাবাদ এবং কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন—এই ৪টি জাহাজকে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
জাহাজ মালিকদের সংগঠন ‘সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশে’র সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, চলতি মৌসুমের প্রথম যাত্রার জন্য অনুমতিপ্রাপ্ত জাহাজগুলোর সব প্রস্তুতি ভালোভাবে নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের ভ্রমণ সুন্দর ও নিরাপদ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের আগ্রহ সন্তোষজনক, তবে পরবর্তী মৌসুম থেকে অন্তত ৪ মাস রাত্রিযাপনের সুযোগ চাই আমরা। তাহলে পর্যটনশিল্প সংশ্লিষ্টরা লাভবান হবেন।
সেন্টমার্টিন ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, পর্যটন ব্যবসাই আমাদের বেঁচে থাকার অন্যতম অবলম্বন। পর্যটকদের বরণে এখানকার মানুষ মুখিয়ে আছে। হয়তো অনেক সংকট আমাদের আছে, তারপরও দ্বীপবাসী আতিথেয়তায় কোনো কমতি রাখবে না।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান বলেন, সেন্টমার্টিন আমাদের সম্পদ, সরকারের আরোপিত নির্দেশনাগুলো মেনে চলা উচিত। আশা করছি দ্বীপের জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকসহ সংশ্লিষ্টরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন।
উল্লেখ্য, প্রতিদিন ২ হাজারের বেশি পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন না এবং মেনে চলতে হবে ১২টি নির্দেশনা।
এসএ