সোমবার, মার্চ ১৬, ২০২৬
সোমবার, মার্চ ১৬, ২০২৬

শবে কদরে যে ৫ আমল অবশ্যই করবেন

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে লুকিয়ে আছে লাইলাতুল কদর। এই রাতটি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় এই রাতে ইবাদত করবে, তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। এ রাতে বিশেষ কিছু আমল করা জরুরি।

এশা ও ফজর নামাজ জামাতে আদায় করা

কদরের রাতের ফজিলত ও বরকত লাভের জন্য অনেকে রাতভর নফল নামাজ ও অন্যান্য ইবাদত করেন। কিন্তু এক্ষেত্রে অনেকে যে ভুলটি করেন তাহলো জামাতে নামাজ আদায়কে গুরুত্ব দেন না। অথচ নফল ইবাদতের থেকেও ফরজের গুরুত্ব বেশি।

রাত জেগে ইবাদত করা

লাইলতুল কদরে রাত জেগে ইবাদতের অনেক অনেক ফজিলত রয়েছে। নবীজি বলেন, যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রাত জেগে ইবাদাত করবে, অতঃপর সে রাত লাভ করার তাওফিকপ্রাপ্ত হবে, তার পেছনের ও পরের সমস্ত গুনাহ মাফ করা হবে। (মুসনাদ আহমাদ ২২৭১৩)

ঝগড়া বিবাদ থেকে বিরত থাকা

কদরের রাতটিকে হাদিসে নির্দিষ্ট করা হয়নি। এ রাতটি সম্পর্কে আল্লাহর রসুল (সা.) সাহাবিদের জানাতে গিয়েছিলেন, কিন্তু দুই ব্যক্তির ঝগড়ার কারণে তা গোপন রাখা হয়।

সালাতুত তাসবিহের নামাজ আদায় করা

এ রাতে সালাতুত তাসবিহ আদায়ের অনেক অনেক ফজিলত রয়েছে। সালাতুত তাসবিহ। তাসবিহের নামাজ। সালাত শব্দের অর্থ নামাজ। আর তাসবিহ বলতে ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ শব্দগুলো বোঝানো হয়েছে। যে নামাজে এসব তাসবিহ পড়তে হয়, তাকে সালাতুত তাসবিহ বলে।

গুনাহ মাফের দোয়া করা

মাহে রমজানের শেষ দশকের যেকোনো রাত শবে কদর হতে পারে। তাই প্রত্যেকটি বেজোড় রাতে ইবাদত করা উচিত। এসব রাতে পাঠ করার জন্য হাদিসে বর্ণিত একটি দোয়া রয়েছে।

হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হে আল্লাহর রসুল, আমি যদি জানতে পারি যে, কোন রাতটি লাইলাতুল কদর তাহলে তখন কোন দোয়া পড়বো? তখন তিনি বললেন, তুমি বলো

اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিম; তুহিব্বুল আফওয়া, ফাফু আন্নি।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More