শুক্রবার, মার্চ ৬, ২০২৬
শুক্রবার, মার্চ ৬, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ২০টি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে অবস্থিত অন্তত ২০টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইরান।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে চালানো এসব হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অপরদিকে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। গেল ছয় দিনে ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে সাড়ে বারোশো।

ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন। এতে ইরানজুড়ে এখন পর্যন্ত ৭ হাজারের বেশি মানুষ হতাহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে তেহরান জুড়ে ব্যাপক বোমা বর্ষণ করে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী। কেবল রাজধানী নয়, দিনভর দেশটির অন্যান্য শহর থেকেও সামরিক স্থাপনা ও রাজনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। হামলা চালানো হয় দুটি স্কুলেও। পাশাপাশি ইরানের কোম শহরে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে হামলার দাবি করেছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব।

তেহরান বলছে সংঘাত শুরুর পর এ পর্যন্ত ইরানের ৩৩টি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধের দ্বিতীয় ধাপে ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালানো হবে।

ইরানের পাশাপাশি হামলা চালানো হচ্ছে লেবাননেও। দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ১শ ছাড়িয়েছে।

এদিকে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখে ইরান। বৃহস্পতিবার কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত অন্তত ২০টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী বাহিনী আইআরজিসি।

এছাড়া উপসাগরে একটি মার্কিন তেল ট্যাংকারে হামলার দাবি করেছে তেহরান। এর আগে রাতভর ইসরায়েলের দিকে মিসাইল ছোড়ে ইরান।

বুধবার শ্রীলঙ্কা উপকূলে ইরানি যুদ্ধজাহাজে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ফল ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এর আগে তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।

এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমানসহ সামরিক সহায়তা পাঠানো ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য।

এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়ায় সেখানে প্রায় ২০ হাজার নাবিক আটকা পড়ে আছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। পাশাপাশি অঞ্চলটিতে বিভিন্ন প্রমোদতরীর আরও ১৫ হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More