শিরোনাম
বৃহস্পতিবার যেসব এলাকায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না বাংলাদেশ-জাপান ছয় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় কোপা দেল রে’র ২৪টি ম্যাচ স্থগিত বন্ধুর জিপিএ-৫ পাওয়া নিয়ে সন্দেহ, গোপনে পুনর্নিরীক্ষণে ফল এলো ‘ফেল’ ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে ৩৬ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে গ্যাসের আগুন বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন আবারও বন্ধ খেলাসেঞ্চুরি থেকে ১ রান দূরে সাদমান ধেয়ে আসছে শক্তিশালী বৃষ্টি বলয়, থাকবে যতদিন মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ
দীপ্ত নিউজ
ঢাকা বিভাগ

ভাঙনের কবলে টাঙ্গাইলের চার উপজেলার অর্ধশত গ্রাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ:
ভাঙনের কবলে টাঙ্গাইলের চার উপজেলার অর্ধশত গ্রাম

উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে যমুনার পানি বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির কারণে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর, কালিহাতী, নাগরপুর ও মির্জাপুর উপজেলার অর্ধশত গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদী তীরবর্তী হাজারো মানুষ।

স্থানীয়রা জানায়, চোখের সামনে নিমিষেই মির্জাপুর উপজেলা ফতেপুরে বানঘাটা থলপাড়া গ্রামের ঝিনাই নদীর পেটে চলে যাচ্ছে– বসত–ভিটা, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিসহ নানা স্থাপনা। ফলে ভাঙন কবলিত মানুষ নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। নদী ভাঙনের বাঁধ নির্মাণে শুধু আশ্বাস নয় পদক্ষেপ চায় নদীপাড়ের মানুষ ।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ জানান, স্থায়ীভাবে একটি বাঁধ তৈরি করা হবে। সময়ের অভাবে করতে পারেনি। নদীর পাড়ে অবস্থিত গ্রামের কম-বেশি অনেক বাড়ি-ঘর ভাঙছে। নদী ভাঙনের ফলে স্থানীয়দের প্রায় ১ কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার (০৬ জুলাই) থেকেই জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ভাঙন কবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করা হচ্ছে।

 

সুমন খান/ শায়লা/ দীপ্ত সংবাদ

এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।