হালকা গরম আর গুমোট পরিস্থিতি পর অবশেষে মৌসুমের প্রথম বৃষ্টিতে ভিজল রাজধানী। নগরজীবনে এই বৃষ্টি বয়ে এনেছে এক চিলতে প্রশান্তি।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার কিছু পরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রসহ শিলাবৃষ্টি শুরু হয়।
বৃষ্টিতে বিশেষ করে ঈদ কেনাকাটায় ব্যস্ত নগরবাসী ও ঘরমুখো মানুষেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
বেসরকারি চাকরিজীবী ইসমাইল সাইফুল্লাহ বলেন, ভেবেছিলাম বাইকে করে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যাব। কিন্তু তেজগাঁও পার হতেই শুরু হলো প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টি। হেলমেট থাকলেও শরীরে শিলার আঘাত তীরের মতো লাগছিল। বাধ্য হয়ে একটা ফ্লাইওভারের নিচে দাঁড়িয়েছি।
রামপুরা ইউলুপের নিচে অপেক্ষা করছিলেন দিপু চন্দ্র। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়েছে, সঙ্গে ছাতা নেই। এছাড়া গণপরিবহনেও জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না।’
রিকশা চালক এরশাদ আলী বলেন, অনেক দিন পর এমন শিলাবৃষ্টি হয়েছে। যদিও অল্পসময়ের শিলাবৃষ্টি কিন্তু পরের বৃষ্টি ছিল স্বাভাবিক বৃষ্টি। স্বাভাবিকভাবে এখন বৃষ্টি হওয়ার কথা নয় তাই কোনো প্রস্তুতি ছিল না, গাড়িতে পলিথিন ছিল না। যে কারণে আমার রিকশার যাত্রী এবং আমি দুজনই ভিজে গেছি।
এদিকে, শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে প্রথম দিন রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই–এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
এসএ