বৃহস্পতিবার, মার্চ ৫, ২০২৬
বৃহস্পতিবার, মার্চ ৫, ২০২৬

পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে দুইশ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংকের লকার (ভোল্ট) থেকে সুমন কুমার দাস নামে এক ব্যবসায়ির অন্তত দুইশ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহষ্পতিবার (০৫ মার্চ) দুপুরে বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী সড়কের পূবালী ব্যাংক পিএলসি শাখায় এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনা জানাজানির পর বিকেলে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরী ব্যাংক পরিদর্শন করেছেন। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কিভাবে বিপুল পরিমান স্বর্ণালংকার খোয়া গেল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়া ব্যবসায়ি সুমন কুমার দাসের বাড়ি বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুপারি ব্যবসা করে আসছেন।

ব্যবসায়ি সুমন কুমার দাস জানান, ২০২৫ সালের ১৫ই অক্টোবর লকারে আমার স্ত্রী, ভাইয়ের স্ত্রী, আমার মা, বোন, ফুফু, খালাসহ পরিবার এবং আত্মীয়স্বজনের আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার রাখা হয়। পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকায় বুধবার ব্যাংকে গিয়ে লকারে মজুদ রাখা স্বর্ণ নিতে দেখি কোন স্বর্ণালংকার নেই। এসময় তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ব্যাংক কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনকে জানালে তারা বিষয়টি তদন্ত শুরু করে। একটি ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কিভাবে স্বর্ণালংকার উধাও হলো সে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাই।

বাগেরহাট পূবালী ব্যাংক পিএলসি শাখার সহকারি মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন জানান, এক গ্রাহকের কিছু মালামাল লকারে রাখা ছিল তা তিনি এখন দেখতে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ এসে ঘটনা তদন্ত করছে। তদন্তের পরই জানা যাবে আসলে ঘটনাটি কি ছিল।

বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন জানান, সুমন দাস নামে এক গ্রাহকের ব্যাংকের লকারে রাখা স্বর্ণালংকার পাওয়া যাচ্ছেনা এই অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যাংক আসি। ব্যাংকের লকার পরিদর্শন করেছি। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কিভাবে বিপুল পরিমান স্বর্ণালংকার খোয়া গেল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ।

মামুন আহমেদ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More