পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী নুরুল হক নুর এবং বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের প্রায় ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে নুরুল হক নুর সমর্থকদের একটি মিছিল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন সমর্থকদের আরেকটি মিছিল মুখোমুখি হয়। মিছিল দুটি অতিক্রম করার সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ বিষয়ে, গণঅধিকার পরিষদ সভাপতি নুরুল হকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সমন্বয়ক মো. আবু নাঈম বলেন, গতকাল রাতে ডাকুয়া এলাকায় হাসান মামুনের কর্মী-সমর্থকেরা মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। একই সময়ে তাঁদের ট্রাক প্রতীকের স্থানীয় কয়েকজন সমর্থক দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঘোড়া প্রতীকের লোকজন তাঁদের সংখ্যায় কম দেখে উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে মারধর শুরু করেন। এতে ট্রাক প্রতীক সমর্থক মো. আলতাফ প্যাদা (৪০), মো. ফিরোজ খান (৩৫), মো. মাহাতাব খানসহ (৩৭) ৭ থেকে ৮ আহত হন।
এদিকে, হাসান মামুন সমর্থক মো. মারুফ (২৩) বলেন, গতকাল রাতে ডাকুয়া নির্বাচনী কার্যালয় থেকে তাঁরা ঘোড়া প্রতীকের স্লোগান দিয়ে মিছিল করে নিজ নিজ বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রাস্তায় নেমেছিলেন। এ সময় ট্রাক প্রতীক সমর্থকেরা তাঁদের পথরোধ করে লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর শুরু করেন। এতে ৭ থেকে ৮ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে জায়েদ মাহমুদ সাআদ (২৩) ও মো. ওয়াজিব হাওলাদার’কে (২৪) গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গলাচিপা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান।
তিনি বলেন, গতকাল রাতে ডাকুয়া এলাকায় নুর ও মামুনের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আপাতত কোনো ঝামেলা নেই।