ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েলের অপরাধী প্রধানমন্ত্রী যদি এখনো জীবিত থাকে তাহলে তাকে খুঁজে বের করার ও হত্যার পদক্ষেপ জোরালোভাবে অব্যাহত রাখা হবে।
ইরানের মেহের বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে পার্স–টুডে জানিয়েছে, ইরানের শিল্প পল্লীগুলোর শহীদ শ্রমিকদের মজলুম রক্তের বদলা নেয়ার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে অপরাধী সন্ত্রাসী মার্কিন–ইসরায়েলি অবস্থানগুলোতে ‘সত্য–প্রতিশ্রুতি–৪‘ অভিযানের আওতায় বিভিন্ন ধরনের হামলার ৫২তম জোয়ার সম্পন্ন করা হয়েছে ‘হে জাইনাব কুবরা –সা.’ শীর্ষক প্রতীকী শ্লোগান উচ্চারণের মধ্য দিয়ে। এইসব জোরালো ও বিধ্বংসী হামলায় ইসরায়েলি অবস্থান বা টার্গেটগুলো ছাড়াও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ৩টি মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে।
আইআরজিসি আরও বলেছে, ইরানের ভারী ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর আঘাতে তেলআবিবসহ ইসরায়েলের নানা এলাকায় হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে বলে ইহুদিবাদী ইসরায়েলি সংস্থাগুলো স্বীকার করেছে এবং অ্যাম্বুলেন্সগুলোর বিপদ–সংকেত বা সাইরেনের আওয়াজ ক্রমাগত শোনা যাচ্ছে বলে এই সংস্থাগুলো উল্লেখ করেছে।
আইআরজিসি‘র এই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে ইরাকের ইরবিল প্রদেশে অবস্থিত ‘আলহারির‘ ঘাঁটিসহ ৩টি মার্কিন বিমান ঘাঁটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বিধ্বংসী আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংস হওয়া অন্য দুই মার্কিন বিমান ঘাঁটি হল ‘আলী আস সালেম‘ ও ‘আরিফজান‘।
এই বিবৃতির শেষাংশে এসেছে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অপরাধী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ভাগ্যে কি ঘটেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়, সম্ভবত সে ও তার পরিবার ইসরায়েল থেকে পালিয়ে গেছে যা ইসরায়েলিদের নড়বড়ে ও সংকটাপন্ন অবস্থা তুলে ধরছে। আর যদি ইসরায়েলের অপরাধী প্রধানমন্ত্রী যদি এখনও জীবিত থাকে তাহলে তাকে খুঁজে বের করার ও হত্যার পদক্ষেপ জোরালোভাবে অব্যাহত রাখা হবে।