প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নারীদের শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে অনার্স পর্যন্ত তাদের শিক্ষা বিনামূল্যে (ফ্রি) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার পর পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ শেষে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। এই নারী সমাজকে যদি আমরা পিছিয়ে রাখি, তাহলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন নারীদের শিক্ষা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকার সেই সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করে নারীদের অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, সকল খরচ সরকার বহন করবে। শুধু তাই নয়, যে সকল নারী শিক্ষার্থী ভালো রেজাল্ট করবে তাদের উপবৃত্তিও দেয়া হবে।
সরকার প্রধান বলেন, ‘এখানে অনেক বোন ও সন্তানতুল্য মেয়েরা আছে। তোমাদের ভালোভাবে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করতে হবে, যাতে বড় হয়ে তোমরা এই দেশের হাল ধরতে পারো।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নারী সমাজকে যেমন শিক্ষায় এগিয়ে নিতে চাই, একইভাবে তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চাই। নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম, বাংলাদেশের ৪ কোটি পরিবারের মধ্যে যে নারী পরিবারের প্রধান ও সংসার পরিচালনা করেন, পর্যায়ক্রমে তার হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। আল্লাহর রহমতে ফ্যামিলি কার্ডের কাজও শুরু হয়েছে। আগামী ৫ বছরে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি ঘরে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের সবাইকে হাতে হাত রেখে কাজ শুরু করতে হবে। কী কাজ? দেশ পুনর্গঠনের কাজ। কারণ এই দেশের মালিক হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ।
এসএ