বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, দেশে দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার পতন ঘটেছে। এখন সময় দেশ গঠনের।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় ঢাকা–১৭ আসনে নির্বাচনি প্রচারণায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারী শাসনের কারণে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে। বাংলাদেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
তিনি বলেন, আমি, তুমি ও ডামির নির্বাচন যখন হয়েছে, তখন সমস্যা নিয়ে জনপ্রতিনিধির কাছে যাওয়া যায়নি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়, একইসঙ্গে পৌরসভা–উপজেলা–ইউনিয়ন পরিষদ, সব জায়গায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ, সব জায়গায় জবাবদিহিতা থাকতে হবে। আর যারা জনপ্রতিনিধি হবেন, তাদের অবশ্যই জানতে হবে জনগণের সমস্যা কী।
নিজ পরিকল্পনা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, কৃষকের জন্য বিশেষ কার্ড, ঋণের ব্যবস্থা করে কৃষি উন্নয়নে কাজ করবে বিএনপি। এছাড়া যুবকদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার ব্যবস্থা করে দক্ষ করে গড়ে তোলার ব্যবস্থা করতে চাই আমরা। যাতে ভবিষ্যতে তারা কর্মসংস্থান, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে যাওয়া বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে পারে। নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’– এই শপথ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ধানের শীষ প্রতীক যতবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে, ততবারই মানুষের জীবনে উন্নতি এসেছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে সারাদেশে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে।
জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যান সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। সেই সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ফরহাদ হালিম ডোনার ও নাজিমুদ্দিন আলম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আহ্বায়ক আমিনুল হক এবং সদস্যসচিব মোস্তফা জামান।
এসএ