সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬
সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

ডাকসু দিয়ে শুরু, ১২ তারিখ ইতিহাস সৃষ্টি হবে: জামায়াত আমির

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ) দিয়ে শুরু, জকসুতে (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ) এসে থেমেছে আপাতত। আগামী ১২ তারিখ ইতিহাস সৃষ্টি হবে।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের স্লোগান ছিল, আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোটও আমি দেবো। সেই দিন শেষ। আমার ভোট আমি দেবো, তোমারটা তুমি দাও। কিন্তু আমার ভোট কেড়ে নিতে আসলে হাত গুঁড়িয়ে দেবো।

সোমবার বিকেলে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াত ইসলামী এই জনসভার আয়োজন করে।

মঞ্চে উঠে শফিকুর রহমান চট্টগ্রামবাসীর কাছে তাদের ভাষায় জানতে চান, ‘অনারা গম আছন নি (আপনারা কি ভালো আছেন)?

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, মায়েরা আমাদের মাথার তাজ। তাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে। কয়েকদিন আগে আমার বিরুদ্ধে লেগে গেছে। লেগে লাভ হবে না, নিজেরা ফেঁসে যাবে। আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি, তাই আমার বিরুদ্ধে লেগেছে।

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি বীর চট্টলার মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। আমি, আমরা, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসতে চাই না। ক্ষমতায় আসবে ১৮ কোটি মানুষ। আমরা যেন রাষ্ট্রের সবকিছু বণ্টন করে দিতে পারি। যারা ১৩ তারিখ থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখতে চান, তারা ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় আনবেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘গত ৫৪ বছরে দেশে কিছুই হয়নি, এ কথা বললে ভুল হবে। তবে যতটা উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল, ততটা হয়নি। কারণ, যারা ভোটের আগে মিষ্টি কথা বলেছে, ভোট শেষ হতেই তারা সুর পাল্টে ফেলেছে।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘জুলাইয়ে স্লোগান ছিল, উই ওয়ান্ট জাস্টিস (আমরা ন্যায়বিচার চাই)। তোমার পাওনা তুমি নাও, আমার পাওনা আমাকে দাও।’

যারা টাকা দিয়ে ভোট কিনতে চায়, তারা মানুষ নামের কলঙ্ক। পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে দেশের অতি শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা বলে দিয়েছে আমরা চাঁদাবাজদের পক্ষে নেইযোগ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আমরা দলীয় সরকারের রাজত্ব কায়েম করতে চাই না, পরিবারতন্ত্র চাই না, আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের সরকার।’

বক্তব্য শেষে চট্টগ্রাম উত্তরের সাতটি আসনে প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More