যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ক্রীড়া অবকাঠামো পুনর্গঠনে বড় ঘোষণা দিয়েছে ফিফা। সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, গাজায় একটি আধুনিক ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে।
ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত ইউনাইটেড স্টেটস ইনস্টিটিউড অব পিস–এ নবগঠিত ‘বোর্ড অব পিস’–এর প্রথম বৈঠকে এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন ইনফান্তিনো। গাজার পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করতেই বোর্ডটি গঠন করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
ফিফা ২০,০০০ থেকে ২৫,০০০ দর্শক ধারণক্ষমতার একটি নতুন স্টেডিয়ামের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার বা ৬১২ কোটি টাকা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং বলেছে তারা ১৫ মিলিয়ন ডলারে একটি ফিফা একাডেমি তৈরি করবে। সংস্থাটি ৫০টি ‘অ্যারেনা মিনি পিচ’ বা ফুটবল মাঠের জন্য অতিরিক্ত ২.৫ মিলিয়ন ডলার এবং প্রতিটি ১ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে পাঁচটি পূর্ণ–আকারের মাঠ তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
গাজার কোনো নিজস্ব জাতীয় ফুটবল দল নেই। একটি সম্মিলিত ফিলিস্তিনি দল গাজা এবং পশ্চিম তীরের প্রতিনিধিত্ব করে এবং ১৯৯৮ সাল থেকে ফিফা কর্তৃক স্বীকৃত— তবে তারা কখনোই বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।
ইনফান্তিনো বলেন, ‘ফুটবল বা সকার, এখানে যে নামে ডাকা হয়, তা হলো বিশ্বের সর্বজনীন ভাষা। এটি আশার কথা। এটি আনন্দের কথা। এটি সুখের কথা। এটি একত্রিত হওয়ার কথা। এটি বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করার কথা।’
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত এই বছরের বিশ্বকাপের আগে ইনফান্তিনোকে প্রায় সময় হোয়াইট হাউসে দেখা গিয়েছে। প্রেসিডেন্ট যখন ভ্রমণে থাকেন, তখনও প্রায়ই ট্রাম্পের অনুষ্ঠানগুলোতে তাকে দেখা যায়। গত মাসে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে গাজা যুদ্ধ বন্ধের জন্য হোয়াইট হাউজের মধ্যস্থতায় ‘বোর্ড অফ পিস’ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে, তখনও তিনি সেখানে ছিলেন।