মঙ্গলবার, ২৩শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ১৪ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি
মঙ্গলবার, ২৩শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ১৪ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭.৫৭ শতাংশ

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
9 minutes read

আমরা প্রায়ই সরকারের অংশীজনের কাছে বক্তব্য শুনতে পাই দেশে ব্যান্ডউইথের ব্যবহার ৫০০০ জিপিপিএস হয়েছে কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা ১৩ কোটি।

বাস্তবিক পক্ষে সরকারের এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ নীতিমালা ২০১৮ অক্টোবর প্রণয়নের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আমাদের ব্রডব্যান্ড ডেনসিটি কতটুকু অর্জন হলো তার সমীক্ষা করা জরুরী বলে মনে করে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি বলেন, টেলিযোগ নীতিমালা ২০১৮ অক্টোবর অনুযায়ী ২০২০, ২০২৩ মধ্যমেয়াদী এবং ২০২৭ কে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সে হিসাবে আমাদের বিদায়ী বছর এবং মধ্যমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা ২০২৩ কে আমরা যদি পর্যালোচনা করি তাহলে দেখব। (..) ১০০% টেলি ঘনত্ব অর্জন।

.., ইন্টারনেটের বিস্তার (internet panitretion) ১০০% উন্নীতকরণ।

. ., ব্রডব্যান্ড প্যানিটেশন ১০০% এ উন্নীত করা।

.., দেশের ৭০ শতাংশ গ্রামে ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদান করা।

.., সকল ইউনিয়নে উচ্চ গতির তারবিহীন ব্রডব্যান্ড (wireless broadband) সেবা বিস্তার করা।

আর ২০২৭ এর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় বলা আছে, নীতিমালার ৮..১ এ দেশের শতভাগ জনগণকে ব্রডব্যান্ড ছাড়া সুবিধা প্রদান করা এবং ৮..২ এ বলা হয়েছে দেশের শতভাগ গ্রামে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অবশ্যই পৌঁছাতে হবে। এবং বলা হয়েছে জাতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি অর্জন এর মাধ্যমে সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ করার আকাঙ্ক্ষায় নতুন এই নীতিমালায় শহর ও গ্রামীণ এলাকায় সমভাবে টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ আগামী পরবর্তী প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে এই টেলিযোগ নীতিমালা ২০১৮ অক্টোবর প্রণয়ন করা হলো। কিন্তু বাস্তবে আমরা কি দেখছি, দেশের ১৭ কোটি জনসংখ্যার হিসাব করে যদি দেখি তাহলে বর্তমানে বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য ২০২৪ অনুযায়ী ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ৭.৫৭ শতাংশ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। কিন্তু আমাদের নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর লক্ষ্যমাত্রা ছিল শতভাগ। না হলেও নব্বই শতাংশ।

যদিও আইএসপিএবির সভাপতি জনাব এমদাদ সাহেবের দেওয়া তথ্যমতে দেশে গড়ে ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ শতাংশ।

সাম্প্রতিক আমেরিকায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ন্যূনতম গতি ধরা হয়েছে ২৫ mbps (মেগাবিটস পার সেকেন্ড) থেকে বাড়িয়ে ১০০ এমবিপিএস করতে তাদের সংজ্ঞা পরিবর্তন করেছে এক্ষেত্রে ইন্টারনেটে সর্বোচ্চ গতি এক জিবিপিএস (গিগাবাইটস পার সেকেন্ড) ও সর্বনিম্ন গতি 500 এমবিপিএস এর মধ্যে রাখার দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যদিও আমাদের গাইডলাইনে এ ধরনের নির্দেশনা বা সংজ্ঞা বলা হয়নি। তবে বিভিন্ন তথ্য মতে বলা হচ্ছে আমাদের ডাউনলোড ৩৮.৬৫ এমবিপিএস ও আপলোড ৩৯ দশমিক ৯১ এমবিপিএস। বাস্তবে তা সঠিক নয় বলে আমরা মনে করি। কিছু অপারেটরের গতি বা সেবার মান ভালো থাকলেও দেশের নব্বই শতাংশ আইএসপির অবস্থা বা সেবার মান বা গতি এর অর্ধেকেরও কম।

আমরা মনে করি সময় এসেছে গাইডলাইনের লক্ষ্যমাত্রা কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে বা হয়নি তার পর্যালোচনা করার। এবং গাইডলাইন সংশোধন করে নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার। কারণ আমাদের সামনে 5g এবং ai ব্যবহারে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমাদের চাহিদা এর চাইতেও অধিক তাই যদি সেবার মান ভালো না করা যায় এবং গতির পরিমাণ বৃদ্ধি করা না যায় তাহলে কাঙ্খিত লক্ষ্য মাত্র অর্জন করা সম্ভব হবে না।

 

সুপ্তি/ দীপ্ত সংবাদ

আরও পড়ুন

সম্পাদক: এস এম আকাশ

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

স্বত্ব © ২০২৩ কাজী মিডিয়া লিমিটেড

Designed and Developed by Nusratech Pte Ltd.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More