প্রতিদিনই একটু একটু করে কমছে চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা পারদ। বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ঠান্ডায় প্রাণ–প্রকৃতিতে নেমে এসেছে স্থবিরতা, ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি মৌসুমে দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আর বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৫ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার ইনচার্জ জামিনুর রহমান বলেন, শনিবার ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৯টায় তাপমাত্রা আর একটু কমে দাঁড়ায় ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা দেশের জন্য সর্বনিম্ন। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ।
জামিনুর রহমান আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গায় আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাপমাত্রা আরও কমে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর ১৬ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে অব্যাহত থাকতে পারে ঘন কুয়াশা।
আজিজুল হক নামে জেলা শহরের এক ভ্যানচালক বলেন, খুব সকালে বাড়ি থেকে বের হয়েছি। মনে হচ্ছে ঠান্ডায় হাত ও পা বরফ হয়ে যাচ্ছে। যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। হালকা বাতাসে পুরো শরীর কাঁপছে।
শহরতলির কূলচারা গ্রামের কৃষক রজব আলী বলেন, ‘দুই বিঘা ভুট্টা আছে। সকালে মাঠে যাই প্রতিদিন। কিন্তু এই শীতে খুব কষ্ট হচ্ছে। তারপরও ফসল বাঁচাতে হলে মাঠে যেতে তো হবেই।
উল্লেখ্য, চলতি ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই চুয়াডাঙ্গায় বেড়েছে শীতের দাপট। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) এক দিনে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে দাঁড়ায় ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরদিন শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এসএ