শিরোনাম
টুপটুপ রিসোর্টে আগুন‘আমার সাইফকে আইন্না দাও’ আগুনের পাশে নারীর আহাজারি নড়াইলে অরুনিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন:‘আমি ওরে ছাড়া থাকমু কেমনে’— স্ত্রীকে হারিয়ে ছাত্রদল নেতা ফয়সাল কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স ছাড়াই চলছিল ‘টুপটুপ রিসোর্ট’ শিশু হাসপাতালের কক্ষে চিকিৎসকের ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক কক্সবাজারে রিসোর্টের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ১০ কক্সবাজারে রিসোর্টের আগুনে নিহতদের পরিচয় মিলেছে কক্সবাজারে রিসোর্টের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৬ বাউলসম্রাট লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবস আজ
দীপ্ত নিউজ
বাংলাদেশ

সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫৩তম জন্মবার্ষিকী আজ

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫৩তম জন্মবার্ষিকী আজ
সজীব ওয়াজেদ জয়।

 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ঘটে যাওয়া বিপ্লবের স্থপতি এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫৩তম জন্মবার্ষিকী আজ।

সজীব ওয়াজেদ জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার পুত্র। তিনি ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই জন্ম গ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন জয়। পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে চলে যান তিনি।

তার শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন তিনি। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

লেখাপড়া করা অবস্থায় রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত থাকলেও জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে আছেন জয়। ২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন সজীব ওয়াজেদ । পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।

উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় ভূ–উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় জাতির পিতার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠান।

 

এসএ/দীপ্ত সংবাদ